বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে যেকোন কঠিন থেকে কঠিনতর পথ অবলম্বন করতে আমরা কুণ্ঠিত হবো না ইনশাআল্লাহ। সংগ্রামী দেশবাসী আমরা সারা দেশের মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছি, কাছে কাছে যাচ্ছি আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য নয়। আমরা এদেশের মানুষের সম্মান এবং গৌরব রক্ষা করার জন্য দাবি নিয়ে ঘুরছি।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে ১১ দলীয় ঐক্যের ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজনেঃ ১১ দলীয় ঐক্য, ময়মনসিংহ বিভাগ See less

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই দিনে তাঁরা জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে গণভোটে হ্যাঁ ব্যালটে ভোট দিয়েছিল। গণভোটে হ্যাঁ অভূতপূর্ব এবং অনেক বড় ব্যবধানে ৭০% ভোট পেয়ে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে। আমরা লক্ষ্য করি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর দীর্ঘ প্রায় পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ দুই দলীয় শাসন ব্যবস্থার যাতাকলে নিষ্পেষিত হয়ে আসছে। পর্যায়ক্রমে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ক্ষমতার মসনদকে কুক্ষিগত করে বাংলাদেশের মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন এবং বৈষম্যের স্টিমরোলার পরিচালনা করেছিল। এদেশের মানুষের উপর গুম, খুন, হত্যাকাণ্ডসহ গোটা দেশের মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস তুলে ফেলেছিল। বাংলাদেশের মানুষকে বোকারাম সাজিয়ে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে নতুনভাবে এদেশের মানুষের সামনে সংগঠিত করবার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।

আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আপনাদের মনে থাকবার কথা শেখ হাসিনা বলতো উন্নয়নের গণতন্ত্র। অর্থাৎ দেশের মানুষের মতামতের প্রয়োজন নাই। দেশের ভোটাধিকারের প্রয়োজন নাই। তাই ২০১৪ সালের বিনা ভোটের সরকার, ২০১৮ সালের রাতের ভোটের সরকার, ২০২৪ সালে আমি আর ডামি মার্কা নির্বাচন করে জনগণের ভোটাধিকারকে ছিনতাই করে বাংলার অধিকারকে সে তার পায়ের নিচে পিষ্ট করেছিল। আর শুধুমাত্র বিএনপি ঈদের চাঁদ উঠবে অপেক্ষা করেছিল। কবে চাঁদ উঠবে ঈদ আসবে এরপর আন্দোলন হবে। পনেরো বছর পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার ফলশ্রুতি হিসেবে এদেশে যুবকেরা প্রাণ দিয়েছে। এদেশের মানুষেরা জীবন দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে, রক্ত দিয়েছে আল্লামা সাঈদীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসির রায় দেয়াতে। রক্ত দিয়েছে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে। রক্তের সাগর পেরিয়ে ৩৬ শে জুলাই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলার মানুষ নতুন করে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছে।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দ্বিতীয় গঠণতন্ত্র গঠন করবার জন্য ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবীদের নেতৃত্বে আন্দোলন করলো। জুলাই বিপ্লবীরা ঘোষণা করলো ১৯৪৭, ১৯৭১ আর ২০২৪ এর আন্দোলনের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। বাংলাদেশের মানুষ চেয়েছিল তাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের মানুষ চেয়েছিল বৈষম্যের বিলোপ হবে। বাংলাদেশের মানুষ চেয়েছিল ফ্যাসিবাদ চিরতরে বিতাড়িত হবে এবং ফ্যাসিবাদের দুয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। ফ্যাসিবাদের দুয়ার বন্ধ করার জন্য বৈষম্যবিরোধী করার জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে নয় মাস পর্যন্ত ৩৩টি রাজনৈতিক দল মিলেমিশে ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করল। সনদ প্রণীত হলো, জুলাই সনদ নামে সেটি স্বাক্ষরিত হলো। যেই জুলাই সনদের মাধ্যমে একক প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য এনে কিছু ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে।

তিনি বলেন, বিচারবিভাগ সংক্রান্ত ক্ষমতাগুলো প্রধান বিচারপতির হাতে আর বাংলাদেশের রাষ্ট্র এবং প্রশাসনকে দলীয়করণের অভিশাপ থেকে মুক্ত করার জন্য নিয়োগ কমিটির নামে আরো কিছু ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করে একটি বৈষম্যহীন ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়বার স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের আপামর জনতা দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংগ্রাম করেছে, আন্দোলন করেছে, ঐকমত্যে তারা এসে উপনীত হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে যখন সেই জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হবে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশের জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে উঠবে, সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের দিকে বাংলার মানুষ যাত্রা করবে ঠিক সেই সময় বিএনপির অন্তর্র্বতীকালীন সরকারে ঘাপটি মেরে বসে থাকা কিছু চাটুকার আর গোলামের সঙ্গে রাতের অন্ধকারে চুক্তি করে অন্তহীন প্রতারণার মাধ্যমে জুলাই সনদকে কলঙ্কিত করে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বলতে চাই তোমরা যে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছো ৩২টি রাজনৈতিক দলকে অন্ধকারে রেখে বিএনপি এবং অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের কিছু লোক যোগসাজশ করে তারা নোট অফ ডিসেন্টের ভিত্তিতে আগামীতে ক্ষমতাসীন দল তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবার যেই চোরাই পথ তোমরা আবিষ্কার করেছ আমি বিএনপিকে বলতে চাই, তোমাদের কল্যাণকামী হিসেবে বলতে চাই এই চোরাই পথ দিয়ে যদি তোমরা বাংলাদেশের মানুষের সংস্কারের অভিপ্রায়কে পায়ে দলবার চেষ্টা করো এটা হবে তোমাদের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই মহাসমাবেশের প্রধান দাবি গণভোটের গণরায়কে কার্যকর করতে হবে। দ্বিতীয় বলেছি আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতিদিনের নিত্যদিনের জীবন প্রবাহের জন্য জনদুর্ভোগ, অশান্তি বাড়ছে, এই দুর্ভোগকে দূর করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এখন ক্ষমতায় যারা আছেন বিএনপির উনারা তো সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংসদের একেবারে বিরোধী দলে কারা আছেন কি নেই দেখার দরকার নেই। উনারা বলে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন দিয়ে উনারা দেশ চালাতে চান। ঠিক আছে আপনারা নির্বাচিত হয়ে যেভাবেই হোক আপনারা এসে গেছেন। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন, ফলাফল ম্যানিপুলেশন করেছেন। বিএনপির অভ্যন্তরে লুকানো কিছু গুপ্ত উপদেষ্টা ছিল যারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিরোধী দলের অনেক নেতাকে ইচ্ছে করে হারিয়ে দিয়েছে। তা না হলে আমরা ১১ দল ১৮০ এর মতো আসন পেতে যাচ্ছিলাম। ফলাফল ঘোষণা হচ্ছিল কিছুক্ষণ পর সকল মিডিয়াতে ফলাফল ঘোষণা বন্ধ করে দেয়া হলো। রহস্যজনকভাবে ফলাফল ম্যানিপুলেশন করে আমাদেরকে অর্থাৎ বিরোধী দলে ঠেলে দেয়া হলো। সরকারের একজন উপদেষ্টা তো পরবর্তীকালে স্বীকারই করেছেন। জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন আমরা এই দলকে মেইনস্ট্রিমে আসতে দেইনি। আমরা মনে করি, উনার সাথে উনি ছাড়া আরো অনেক লোক ছিল। আমাদের বলা লাগবে না আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসবে। চুরি যে করে তার মধ্যে একটা চোর চোর মনোভাব থাকে। গল্পে গল্পে কোন না কোন সময় বলে ফেলে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমাদের আমীরে জামায়াত সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বলেছিলেন ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কারা জড়িত আমরা নাম বলবো না এক সময় ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ঠিকই এক ভদ্রমহিলা বলে ফেলেছেন। অনেক প্রশ্ন অনেক কষ্ট সত্ত্বেও আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি একটা কারণে। সতেরো বছরের রাজনীতিতে সংঘাত, সহিংসতা, হানাহানি, জ্বালাও পোড়াও, হরতাল ধর্মঘট, খুনাখুনি, রক্তারক্তি, বিরোধী দলের উপর দমন পীড়ন কবর দিয়ে জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম। আমরা যদি এই ফলাফল বয়কট করতাম আরেকটি রক্তঝরা আন্দোলনের সূচনা আমরা করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের নেতা সংসদে বলেছিলেন দেশের রাজনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে মানুষের জীবনের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনেক কষ্ট বুকে নিয়ে আমরা এই ফলাফলকে মেনে নিয়েছি। তার অর্থ এই নয় আপনারা জোর করে ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন, ভোট ছিনতাই করেছেন, এটাকে কিন্তু আমরা স্বীকৃতি দিচ্ছি না। আপনারা কিন্তু ইতিহাসে ভোটচোর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, আমরা ১১ দলীয় ঐক্য নির্বাচনের পর থেকেই গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী পালন করে যাচ্ছি। আমরা এই দেশের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে যে ৭০% মানুষ গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়েছিলেন সেই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের দাবি আদায়ের জন্য কষ্ট করে সবাই একত্রিত হয়েছেন। আমরা নির্বাচনের আগে দেখেছি যিনি এখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন একটি নির্বাচনী সভায় অনুরোধ করে বলেছিলেন আপনারা সবাই গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিবেন। কিন্তু নির্বাচনের পরে সেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য যেই সংবিধান সংস্কার পরিষদ হওয়ার কথা সেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ তাঁরা নিলেন না।

তিনি বলেন, যে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন সেটা নিয়ে তিনি আর কোথাও কোন মুখ খুললেন না। এই জাতির সাথে এদেশের জনগণের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে দিনে-দুপুরে প্রতারণা করে তাঁরা সরকার চালিয়ে যাচ্ছেন। তারপরও বাংলাদেশ যেহেতু একটা দীর্ঘসময় কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল ১১ দলীয় জোট সংসদে এক সাথে কাজ করার কথা বলেছে। সরকারকে সহযোগিতা করার কথাও বলেছে। কিন্তু আমরা দেখি এই সরকার শুধুমাত্র আমাদের জনগণের গণভোটের রায়ের সাথে যে প্রতারণা করেছে তা না, তাঁরা দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখছি বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসন আমলে যে গুম খুন ঘটেছে এবং সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যেই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে সেই গণহত্যার বিচারের কোন অগ্রগতি নাই। আপনারা হয়তো দেখছেন আপনাদের এলাকায় যারা ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত ছিল, যারা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল তাদের সাথে সমঝোতা করে সরকারি দল রাজনীতি করছে।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি এই দেশে জনগণের জীবন দেওয়ার যে কারণ রাষ্ট্রের একটা সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই সংস্কার তো সরকার করেই নাই, করছেই না, পাশাপাশি নির্বাচনের আজকে চার পাঁচ মাস হলো এর মধ্যেই বিদ্যুতের দাম বাড়াবো না বলেও রেকর্ড পরিমাণে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। তেলের দাম বাড়াবো না বলেও রেকর্ড পরিমাণ তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আগে আমার দেশের জনগণ যে বাজার একশ টাকা দিয়ে করতো সেই বাজার এখন দেড়শ টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে। সুতরাং এই স্বল্প সময়ে বিএনপি কিভাবে দেশ পরিচালনা করবে, কিভাবে তারা সফল হবে সেইটা কিন্তু আমাদের সবার দেখা হয়ে গেছে। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই দেশের স্বার্থে কিন্তু সরকার যদি দেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে, বিরোধী দল হিসেবে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হতে পারে।

জনাব সজিব ভূঁইয়া আরও বলেন, আমরা আশা করবো তাঁদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তাঁরা জুলাই সনদ, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করবে। তাঁরা দেশ পরিচালনায় জনগণমুখী হয়ে দেশ পরিচালনা করবে। যদি তাঁরা সেটা করে এবং সেই সদিচ্ছা তাঁরা দেখায় তাহলে আমরা সবাই মিলে তাদেরকে সহযোগিতা করবো। কিন্তু যেই পথে তাঁরা এগুচ্ছে এই পথ বাংলাদেশকে কোনো ভালো দিকে নিয়ে যাবে না।

বিভাগীয় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু তাহের খান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ হাদী, নেত্রকোণা-৫ আসনের এমপি মাসুম মোস্তফা, শেরপুর-১ আসনের এমপি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ময়মনসিংহ শাখার সভাপতি ও ময়মনসিংহ-২ আসনের এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ, ময়মনসিংহ-৬ আসনের এমপি অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন, ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমীর মো. আব্দুল করিম, জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাকিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ময়মনসিংহ জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি সারোয়ার হোসাইন, সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল, এনসিপির ময়মনসিংহ জেলা সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন, মহানগর সেক্রেটারি একরামে এলাহী খান সাজ, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর আসাদুজ্জামান সোহেল, শেরপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, নেজামে ইসলাম ময়মনসিংহ জেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান ফরিদী, জামালপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার, নেত্রকোণা জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাদেক আহমেদ হারিস, খেলাফত মজলিস ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ নজরুল ইসলাম, এনসিপি ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট এটিএম মাহবুবুল আলম, কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক রমজান আলী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির আমীর মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।